নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্যবসা বলতে কিছুই ছিল না তার কখনো, আজ ও নেই, টুকটাক আইভির ম্যুরাল, সৌন্দর্য্যবর্ধন কাজ করে সে কন্ট্রাক্ট এ করে জীবিকা নির্বাহ করত, মাদকসেবী হিসাবে এবং নারীলোভী হিসাবে তার পরিচিত ছিল এলাকায়, অত্যন্ত ধুর্ত প্রকৃতির এই লোক জুলাই আন্দোলনে অংশ না নিলেও এর পরবর্তী সবচেয়ে বেশি সুযোগ নেয়া এই ধুর্তের কার্যক্রম সিনেমাকে ও হার মানায়।
সারাজীবন আইভি বন্দনা করলেও ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর কিছুদিন আশ্রয় নেয়, জামাতের মাইনুদ্দিন সাহেবের কোলে, এরপর সাবেক শিবির সভাপতি সাইদ এর কল্যানে এবং বর্তমান নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিনের দ্বারা ততকালীন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম এর ফোনে তনুকে চেম্বারে বিনা নির্বাচনে পরিচালক পদে জায়গা দেয়া হয়।
পরিচালক হবার পর প্রথমেই আওয়ামী ব্যবসায়ীদের চাটুকারিতায় বাগিয়ে নেন চেম্বার বিকেএমইএ এর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনের কাজটি, সকল পরিচালক ব্যস্ত থাকায় আর তার কোন ব্যবসা বানিজ্য না থাকায় এই কাজ তাকে দেয়া হয়।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন এর নেতা কর্মী এবং এনসিপির লোকবল নিয়ে সে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন করে,
বিকেএমইএ এবং চেম্বার থেকে প্রতিদিন তসরুফ করতে থাকে লক্ষ লক্ষ টাকা যা আজ ও চলমান রয়েছে।
মাঝে এ নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তোলায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনকারী একটি গ্রুপ কে সরিয়ে দেয়া হয় দায়িত্ব থেকে এবং এরপর শুরু হয় অটো থেকে চাদা তোলা।
জেলা এনসিপির ২য় সর্বোচ্চ পদে থাকলেও এনসিপির বুকে ছুরি মেরে নিজের আখের গোছান এই ধুর্ত লোক৷ নির্বাচনেও কাজ না করায় তার বিরুদ্ধে একশনে যাবার সিদ্ধান্ত নেয় এনসিপি, অবশেষে সকল পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়।
তার কর্মকান্ডে এবং বর্তমানে চেম্বারের কর্মকান্ডে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে, চেম্বার ব্যবসায়ীদের জন্য কাজ না করে কাজ করে ট্রাফিক আর ফুটবল নিয়ে আর এ সংক্রান্ত লুটপাটে তনুকে ইন্ধন দিচ্ছে আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ব্যবসায়ী মোরশেদ সারোয়ার সোহেল।
যারা সম্ভাবনাময় ব্যবসায়ী তারা চেম্বারে নির্বাচন দাবি করেছেন তাদের বিশ্বাস তাহলে এসব অটো হতে চাদা নেয়া লোক চেম্বারের পরিচালক হতে পারবেনা কোনদিন।
এমনকি বহিষ্কার হবার পর ও এনসিপির ইফতার মাহফিল এ তাকে নির্লজ্জের মত তদারকি করতে দেখে অবাক হয়েছেন খোদ এনসিপির ই নেতাকর্মীরা। কিন্ত তনু যে বহিষ্কার তা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতেই মুলত এই কাজটি করেছেন,
কার্যত এনসিপিতে তার আর জায়গা হবেনা কোনদিজ এটা দায়িত্বশীল মহল থেকে জানা গেছে।
তনুর বিরুদ্ধে বেশকিছুদিন আগেও ক্যাসিনো সম্রাট সেলিম প্রধান এর সাথে সংযোগ এর ও নিউজ প্রকাশ হয়েছিল।
খোদ ৫ আসনের এমপি জনাব আবুল কালাম এবং এমপিপুত্র কাউসার আশা এবং তনুর স্ত্রী বাধন তার নামে অভিযোগ শুনে শুনে হয়রান। তারা পারিবারিকভাবেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তৈরী হচ্ছেন।